দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নবম জাতীয় বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারির পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আরও একটি সুখবর এসেছে। সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) ও প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের (সিপিএফ) জমার ওপর মুনাফার হার নির্ধারণ করেছে সরকার। ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে তহবিলের স্থিতি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা পাওয়া যাবে।
এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি-১ শাখা।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অর্থবছরের শুরুতে জিপিএফের স্থিতি ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে মুনাফার হার হবে ১৩ শতাংশ। ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ টাকার বেশি স্থিতির ক্ষেত্রে মুনাফার হার হবে ১১ শতাংশ।
একই হারে অর্থবছরে জমা হওয়া চাঁদার ওপরও মুনাফা দেওয়া হবে। অর্থাৎ অর্থবছরের শুরুর স্থিতির পরিমাণ অনুযায়ী জমার ওপরও ১৩, ১২ অথবা ১১ শতাংশ হারে মুনাফা প্রযোজ্য হবে।
সিপিএফভুক্ত স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, করপোরেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা এক নয়। এ কারণে এসব প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আর্থিক বিধিবিধান অনুসরণ করে প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত হারকে সর্বোচ্চ সীমা ধরে কর্মচারীদের মুনাফার হার নির্ধারণ করতে পারবে। তবে নির্ধারিত হার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
অর্থ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিধিমালার আওতায় নির্ধারিত নতুন মুনাফার হার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রযোজ্য হবে।
এর আগে সরকার নতুন জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করে। নতুন বেতন কাঠামো ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।
এমএম/